বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কোনো শিক্ষার্থী রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন না। শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বুয়েটের রেজিস্টার ড. ফোরকান উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুয়েট অর্ডিন্যান্সের বোর্ড অব রেসিডেন্স অ্যান্ড ডিসিপ্লিনের ১৬ নম্বর ধারায় অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের ৫০৩তম জরুরি সভায় সর্বোপরি রাজনীতির লেজুড়বৃত্তায়ন নিবৃত্ত করার লক্ষ্যে কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত কোনো ক্লাব বা সোসাইটি ব্যতীত কোনো রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি অথবা অন্য যে কোনো সংগঠনের সঙ্গে জড়িত হতে পারবেন না। শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশের নিয়মসমূহ যথাযথভাবে পালন করতে হবে এবং তা অমান্য করলে অধ্যাদেশে বর্ণিত নিয়ম মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের কারণে অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে বুয়েট। এরপর থেকে বেশ কয়েকবার ছাত্র রাজনীতি বন্ধের দাবি ওঠে প্রতিষ্ঠানটিতে।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মুখে সরকার পতনের পর বুয়েটে স্বাভাবিক ক্লাস কার্যক্রম শুরু হয়। একই সঙ্গে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়। ঠিক সেই সময়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত দুজন শিক্ষার্থীকে হলে তোলাকে কেন্দ্র করে আবারও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়।
ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে গত ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীরা ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করে আসছিলেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি মেনে ফের রাজনীতি নিষিদ্ধের কথা জানালো বুয়েট প্রশাসন।























