কৃষিবিদ ইন্সিটিটিউশন বাংলাদেশের সাধারণ সদস্যদের নিয়ে ডাকা জরুরি তলবি সাধারণ সভা পণ্ড হয়েছে।
শনিবার সকালে রাজধানীর কেআইবি মিলনায়তনে এগ্রিকালচারিষ্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এ্যাব এর যুগ্ম আহবায়ক শফিকুল ইসলাম শফিক ও সদস্য সচিব শাহাদাত হোসেন বিপ্লবের গ্রুপের মধ্যে হট্টগোল হলে এই সভা পন্ড হয়ে যায়।
সভায় উপস্থিত থাকা একজন এ্যাব সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সভার সভাপতি কে হবেন এই নিয়ে ঘটনার সুত্রপাত হয়। একপর্যায়ে শাহাদাত হোসেন বিপ্লবের অনুসারিরা উপস্থিত সাধারণ কৃষিবিদদের গালিগালাজ করতে থাকলে কৃষিবিদ আনোয়ারুন নবী বাবলা এবং কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার নেতৃত্বে সিনিয়র কৃষিবিদরা হলরুম ত্যাগ করে চলে যান।
দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় টিপু, আমান, গোলজার নামের কয়েকজন আহত হয় বলে জানা গেছে।
উপস্থিত আরেকজন কৃষিবিদ জানান, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে একটি বিশাল কমিশন বাণিজ্য। তলবি সভার মাধ্যমে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন ক্যাটারিং সার্ভিস নিয়োগ, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টসহ বিভিন্ন সুবিধা নিতে চেয়েছিল একটি গ্রুপ। তাই সরকার কর্তৃক নিয়োগকৃত প্রশাসককে সরিয়ে নিজেদের পছন্দসই কৃষিবিদকে দায়িত্ব দিতেই এই তলবি সভাটি জরুরি ভিত্তিতে আয়োজন করে কৃষিবিদদের সংগঠন এগ্রিকালচারিস্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর সদস্য সচিব শাহাদাত হোসেন বিপ্লব।
এ বিষয়ে এ্যাবের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, “কারও সঙ্গে আলোচনা না করেই পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে মুলতবি সভার আয়োজন করেন সদস্য সচিব। সব সিদ্ধান্ত এককভাবে নেওয়ার কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এ্যাবের সদস্য সচিব শাহাদাৎ হোসেন বিপ্লব গণমাধ্যমে বলেন, কেআইবির প্রশাসক দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পরেন। তার পছন্দের সাত কর্মকর্তাকে নিয়োগ দিয়ে প্রতি মাসে বেতন বাবদ ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা তুলে নিচ্ছেন। অথচ, আমাদের সাধারণ কৃষিবিদদের চাঁদার টাকা থেকেই এর ব্যয়ভার বহন করতে হয়। মূলত এসব বিষয়ে মুলতবি সভা আহ্বান করা হয়। এতে একটি পক্ষ হট্টগোলের সৃষ্টি করে বলে তিনি তা স্বীকার করেন।























