মূল্যস্ফীতি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে নেমে না আসায় নীতি সুদ হার কমবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র মো. আরিফ হোসেন খান বলছেন, এককভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষে মূল্যস্ফীতি কমানো সম্ভব নয়। বিশেষজ্ঞদের অভিমত, থেমে থাকা বিনিয়োগ বাড়াতে, বাংলাদেশ ব্যাংককে বিকল্প উপায় খুঁজতে হবে।
২০২৫ এর ১০ ফেব্রুয়ারি নীতি সুদহার অর্থাৎ পলিসি রেট ১০ শতাংশ রেখেই নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই বছর ৩১ জুলাইতে দ্বিতীয় প্রান্তিকেও তা অপরিবর্তিত রাখা হয়।
গভর্নর দুইবারই বলেছিলেন মূল্যস্ফীতি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে নেমে এলে তবেই কেবল পলিসি রেটে হাত দেবেন তিনি।
তবে, ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ দেখিয়েছে বিবিএস। এর আগে নভেম্বরে এ হার ছিলো ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। সব মিলিয়ে ২০২৫ সালজুড়ে দেশে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ। তার মানে এবারও পলিসি রেটে হাত দিবেন না গভর্নর। এমনটাই বললেন, বাংলাদেশ ব্যাংক মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
বিআইবিএমের সাবেক মহাপরিচালক তৌফিক আহমেদ চৌধুরী জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান লক্ষ্যই হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ; ফলে সেটি নিয়ন্ত্রণে না আশা পর্যন্ত বেসরকারি বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান দুইই কমলেও, বাংলাদেশ ব্যাংকের পলিসি রেট কমানো উচিত হবে না।
তবে, অর্থনীতি বিশ্লেষকদের যুক্তি, নির্বাচনের আগে বাজারে অর্থের জোগান অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। ফলে এই সময়ে কোন পলিসি দিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অর্থাৎ অর্থের জোগান কমিয়ে সুদের হার বাড়ানো, যাতে জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, যা সাধারণত উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময় প্রয়োগ করা হয়। সেটিই করে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক।























