গাজীপুরের কাপাসিয়ার মাশক গ্রামে যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলমের গরুর খামার থেকে ১১টি জীবিত ঘোড়া জব্দ এবং ৮টি জবাই করা ঘোড়ার মাংস উদ্ধার করা হয়েছে। গাজীপুরের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফয়সাল শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে অভিযান পরিচালনা করে ঘোড়া জব্দ ও ঘোড়ার মাংস উদ্ধার করেন।
জাহাঙ্গীর আলম কাপাসিয়া উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ওই গ্রামের মৃত. আলাউদ্দিনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে গোপনে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির ব্যবসা করতেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে জাহাঙ্গীরের বাড়ি সংলগ্ন ‘জুহি লাবীব ডেইরি ফার্মের’ একটি খালি ঘরে বেশ কিছু অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা দেখা যায়। প্রতিবেশীরা একজোট হয়ে রাত ১১টার দিকে সেখানে উপস্থিত হলে জাহাঙ্গীরসহ অপরিচিত ব্যক্তিরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা একটি পিকআপ ঢাকা মেট্রো-ন-১১-৩৬৬৫ ভাঙচুর করে এবং আরেকটি কাভার্ড ভ্যানে (ঢাকা মেট্রো- ন-১৭-১৭৬৫) আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
দুপুরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. একেএম আতিকুর রহমান, ভেটেনারি সার্জন ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন, দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ ওহাব খান খোকা ও পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে অভিযান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফয়সাল।
এ সময় তিনি ১১টি ঘোড়া জীবিত উদ্ধার করেন এবং ৮টি জবাই করা ঘোড়ার মাংস জব্দ করেন। জবাই করা ঘোড়াগুলো মাটিচাপা দেওয়া হয়। জীবিত ঘোড়াগুলোকে স্থানীয় চেয়ারম্যানের জিম্মায় রাখা হয়।
পুড়ে যাওয়া কাভার্ড ভ্যান ও একটি পিকআপ পুলিশের জিম্মায় দেওয়া হয়।
জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। কিছু দিন আগে এলাকায় ফিরে গোপনে ঘোড়ার মাংস বিক্রির ব্যবসা শুরু করেন। তার গরুর খামারের ঘোড়ার রাখতেন।























