ঢাকা   বুধবার
০৭ জানুয়ারি ২০২৬
২৩ পৌষ ১৪৩২, ১৮ রজব ১৪৪৭

নেত্রকোণায় ব্যস্ত ধান চাষিরা

বোরোর আবাদ শুরু; ভালো ফলনের আশা চাষিদের

Argi24

প্রকাশিত: ০৯:১৭, ৪ জানুয়ারি ২০২৬

বোরোর আবাদ শুরু; ভালো ফলনের আশা চাষিদের

নেত্রকোণার ধান চাষিরা এখন দারুণ ব্যস্ত। কারণ পানি নেমে যাওয়ায় হাওরে শুরু হয়েছে বোরো আবাদ। কৃষি উপকরণের দাম বাড়ায় চাষাবাদে কিছুটা প্রভাব পড়লেও আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলনের আশা চাষিদের।

দীর্ঘ ছয় মাস পানিতে ডুবে থাকা হাওরের জমি থেকে পানি নামায় এখন বোরো ধান রোপণে ব্যস্ততা চাষিদের। জমিতে মাড়াই কিংবা চারা রোপণের দৃশ্য এখন নেত্রকোণার প্রতিটি হাওরে।

নিচু জমিগুলোতে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে শুরু হওয়া এ চাষাবাদ চলবে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত। যার হাওরাঞ্চলের কৃষকদের সারাবছরের খোরাক জোগায়।

উচিতপুর হাওরের কৃষক ফজলুল হক। হাওরের ১৬ কাঠা জমিতে রোপণ করেছেন হাইব্রিড জাতের ধান। গেল কয়েক বছর ভালো ফলন হওয়ায় এবারও সেই স্বপ্ন নিয়েই চাষাবাদে নেমেছেন তিনি। একই আশায় বুক বেধেছেন অন্য চাষিরাও।

কৃষক ফজলুল হক বলেন, ‘গত বছরে আমাদের ফলন খুব ভালো হয়েছিলো এ বছর কেমন হবে জানি না। তবে আশা করছি এ বছরও ফলন খুব ভালো হবে।’

চাষিরা বলছেন, এবারে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চলতি বছর জ্বালানি তেল থেকে শুরু করে বীজ , সার ও কীটনাশকসহ সবকিছুর দাম বাড়ায় ফলন উৎপাদনে যোগ হয়েছে বাড়তি ব্যয়।

কৃষকরা জানান, এ বছর উৎপাদনে তাদের খরচ বেশি হচ্ছে। সার, কামলাসহ যাবতীয় সবকিছুতেই তাদের বাড়তি ব্যয় হচ্ছে। কৃষি বিভাগ বলছে, হাওর ফসল উৎপাদনের পরিমাণ বাড়তে মাঠ পর্যায়ে বীজ, সারসহ নানান সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

নেত্রকোণা খামারবাড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার কৃষিবিদ ড. চন্দন কুমার মহাপাত্র বলেন, ‘বীজতলা থেকে শুরু করে প্রযুক্তিগত সহায়তা আমরা মাঠ পর্যায়ে সহায়তা দিয়ে থাকি।’

চলতি বছর নেত্রকোণায় ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৪৮ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।