চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে এক কচ্ছপ। ভাবলেশহীন প্রাণিটিকে বিদায় জানাতে এসেছেন হাজার হাজার মানুষ, যারা প্রত্যেকেই মলি নামের ওই কচ্ছপের অনুসারী। ইন্টারনেট সেলেব্রিটি কচ্ছপের বাড়ি ফেরার গল্প থাকছে এ প্রতিবেদনে।
বেজারমুখো কচ্ছপটিকে তুলনা করতে পারেন ইন্টারনেট সেলিব্রিটিদের সঙ্গে। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার একটি হাসপাতালে লগারহেড প্রজাতির সামুদ্রিক কচ্ছপ মলির জীবন বাঁচানোর ভিডিও অন্তত ১০টি দর্শকের মন জয় করে নেয়।
চিকিৎসা পর্ব শেষ হতেই সমুদ্রে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে মলিকে। যা দেখতে কি ওয়েস্টের সৈকতে ভিড় করছেন হাজার হাজার মানুষ। এ দৃশ্য দেখে মনে হতেই পারে মলি কোনো সাধারণ প্রাণী নয়, এ কচ্ছপের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এ মানুষগুলোর শত আবেগ।
১৭০ পাউন্ড ওজনের মলিকে কয়েক মাস আগে একটি কাঁকড়া ধরার ফাঁদ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। এসময় তার শরীরে ছিল টিউমার। রক্তপাত ঠেকাতে দ্রুত তাকে নেয়া হয় কী ওয়েস্ট টার্টল হাসপাতালে। সেখানে মলির সুস্থ হওয়ার প্রতিটি ধাপ সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা হয়, আর রাতারাতি ইন্টারনেট আইকন হয়ে ওঠে মলি।
হাসপাতালের চিকিৎসকরা প্রথম থেকেই সতর্ক করেছিলেন যে মলির বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুব কম। টিউমারটি এত বড় ছিল যে এটি অপসারণে তিন ঘণ্টার অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয়। কর্মীদের মতে এমন আকারের টিউমার হওয়ার পর কোনো লগারহেড কচ্ছপ বেঁচে ফেরেনি।
কচ্ছপের চিকিৎসক বলেন, ‘মলিকে যখন টার্টল হাসপাতালে আনা হয়, প্রচুর রক্তপাত হয়েছে। বিশাল টিমার থেকে রক্ত ঝড়ছিল। অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি অস্ত্রোপচার করে কচ্ছপটিকে বাঁচানো হয়েছে।’
কচ্ছপের শরীরে ভয়াবহ টিউমার সৃষ্টি করে এমন ভাইরাসজনিত রোগ ফাইব্রোপ্যাপিলোমাটোসিসের চিকিৎসায় বড় অগ্রগতি হিসেবে ধরা হচ্ছে মলির সুস্থতা। সবুজ কচ্ছপে এটি বেশি দেখা গেলেও লগারহেড প্রজাতিতে এ রোগ খুবই বিরল।























